আজ থেকে ৪ বছর আগে ঠিক এই সময় পরিবারের সাথে
অনেকটা যুদ্ধ করেই ভর্তি হয়েছিলাম স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে।
ইচ্ছে ছিলো সাংবাদিকতা পেশার মধ্য দিয়ে দেশকে কিছু দেওয়ার। আর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের
কাছ থেকে চাওয়ার ছিলো পরিপূণ একটি ডিপার্টমেন্ট।
কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় হলো ভর্তির পর
জানতে পারলাম আমাদের সাংবাদিকতা বিভাগটি নাকি ধানমন্ডি ১৫ নং রোডের একটি মার্কেটের
৩য় তলায়। কথাটি শোনার পর থেকেই মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেছিলো। ভাবলাম পরিবারের কথা
না শোনায় হয়তো এটায় ছিলো আমার শাস্তি।
তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হলো যখন ক্লাস শুরু
হলো। ডিপাটমেন্টের জায়গার সংকট থাকায় দুইটি
ক্লাশের মাঝের বিরতির সময় আমাদের আড্ডা দিতে হতো মার্কেটের সিড়িতে। তবে একটি
সেমিনার কক্ষ ছিলো বর্তমানে এখন যেটি মিডিয়া ল্যাব। ছোট্ট এই কক্ষটিতে সে সময় ছিলো
মাত্র ৩টি টেবিল আর ১০-১২ টি চেয়ার। আর এ কারনে শেষ ভরসা মার্কেটের সিড়ি।
বিভাগটিতে ক্লাস রুমের সংকট, নষ্ট কম্পিউটার ও প্রজেক্টর, মিডিয়া ল্যাবের
সংকট ( সে সময় ল্যাব ছিলো না), সেমিনার রুম না থাকায় এক ধরনের ক্রোধ ও অপ্রাপ্তি
জমা বাঁধতে থাকে আমাদের মনে। এক বছরের মধ্যে এ অপ্রাপ্তি এতটায় ফুলে ফেঁপে ওঠে যে
শুরু হয় আন্দোলন। ক্যাম্পাসের সিনিয়র ভাই ব্রাদারদের সাথে আমরাও শরিক হই আন্দোলনে।
কিছুটা সফলতা লাভও করি। অর্জন করি একটি সেমিনার রুম, পায় একটি মিডিয়া ল্যাব, যাতে
রয়েছে একটি ক্যামেরা, একটি কম্পিউটার এবং একটি টিভি।
তবে সত্যি কথা বলতে গেলে কিছু সমস্যা থাকা সত্বেও গত ৪ বছরে এ ক্যাম্পাসটি আমার কাছে ছিলো অত্যান্ত আপন। সমস্যা ছিলো, নিজেরাই
সমাধান করার চেষ্ঠা করেছি। সহায়তা নিয়েছি শিক্ষকদের। তারাও সাহায্য করেছেন তাদের
সাধ্য মতো। এর প্রধান কারন হলো শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী আমরা সকলেই মিলে ছিলাম একটি
পরিবার। যেটি সচরাচর আন্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে দেখা যায় না। ধন্যবাদ সকলকে।
Md. Rafiul Hasan
jrn.04305302
Md. Rafiul Hasan
jrn.04305302
well said
ReplyDelete